Header Ads

Header ADS

টি-টুয়েন্টিতে ১০ দেশের সর্বপ্রথম সেঞ্চুরিয়ানদের তালিকা

  


আপনি কি জানেন বাংলাদেশ কিংবা ইন্ডিয়ার সর্বপ্রথম টি-টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরী কে করেছে?


বাংলাদেশ  ইন্ডিয়ায় ক্রিকেট খেলা পছন্দ করো না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল আর তা যদি হয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ  তাহলে তো আর কথাই নেই। আজকে জেনে নিব  সেরা দশটি দলের সর্বপ্রথম সেঞ্চুরিয়ানদের নাম ।


 ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিস):

 টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কথা বললে প্রথমে যার নাম উঠে আসে সে হল  ইউনিভার্সাল বস ক্রিস গেইল।  গেইলকে পছন্দ করেন না এমন ক্রিকেটপ্রেমী পাওয়া  মুশকিল।  তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে  মাত্র ৫৭ টি বল খেলে , ১৬৭ রান করেছেন । আর এই দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৭ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর। তিনি ২০৫.২৬ স্ট্রাইক রেটে ৪ হাঁকিয়েছিলেন সাতটি আর ছয় মেরেছিলেন দশটি।সেই সাথে তিনি হয়ে যান ওয়েস্ট ইন্ডিসের সর্বপ্রথম টি -টুয়েন্টি ক্রিকেটের সেঞ্চুরিয়ান।





আহমেদ শেহজাদ (পাকিস্তান)ঃ

২০১৪ সালে ৩০ মার্চ পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে পাকিস্তানের হয়ে সর্বপ্রথম সেঞ্চুরির মালিক হয়ে যান আহমেদ শেহজাদ। তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬২ বলে ৫টি ছয় এবনং ১০ টি চার মেরে ১১১ রান করে অপারিজিত থাকেন । সে সময় তার ব্যাটিং রেট ছিল ১৭৯.০৩ । 



রিচার্ড লেবি (সাউথ আফ্রিকা) ঃ

সাউথ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বপ্রথম সেঞ্চুরীটি করেন রিচার্ড লেবি। ২০১২ সালে নিউজল্যান্ডের হেমেল্টনে নিউজল্যেন্ডের বিপক্ষে অতি দানবিয় একতি ইনিংস উপহার দেন ক্রিকেট বিশ্বকে । মাত্র ৫১ টি বল খেলে ৬ মারেন ১৩ টি আর ৪ মারেন ৫ টী ।তার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ২২৯.৪১। তিনি এই ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন । 





মোহাম্মদ শেহজাদ (আফগানিস্তান) :

বর্তমানে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরমেটে সবচেয়ে  উদয় মান  দলটির নাম হল আফগানিস্তান। সবাইকে অবাক করে দিয়ে  আফগানিস্তানের সর্বপ্রথম সেঞ্চুরি করেন মোহাম্মদ শাহজাদ।  তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৬৭ বলে ১১৮ টি রান করে  অপরাজিত ছিলেন.  ২০১৬ সালে   শারজাতে অনুষ্ঠিত হওয়া এই ম্যাচটিতে  তিনি ছয়  মারেন আটটি এবং চার  মারেন দশটি। সেই সময় তাঁর  স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭৬.১১।





ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম(নিউজল্যান্ড) :

ক্রিকেটার সংক্ষিপ্ত ফরমেটে অন্যতম একজন দুর্দান্ত প্লেয়ার  ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তার করা সেঞ্চুরিটি নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বপ্রথম সেঞ্চুরি.  আর এই ম্যাচে তিনি ছক্কা মেরেছেন আর্টি এবং চার মেরেছেন বারোটি. তার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ২০৭.১৪ এবং তিনি অপরাজিত ছিলেন ১১৬ রান করে।




অ্যারন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া):

 টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার সর্বপ্রথম  সেঞ্চুরিয়ান হলেন অ্যারন ফিঞ্চ.  ২০১৩ সালে ২৯ শে আগস্ট তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ইনিংস খেলেন. ২৪৭ দশমিক ৬১ ব্যাটিং   স্ট্রাইক রেটে  তিনি রান করেন ১৫৬ টি  ।আর এতে তিনি  খরচ করেছেন মাত্র ৬৩ বল. সেদিন ক্রিকেটপ্রেমীরা চৌদ্দটি ছক্কার সাথে এগারোটি চারে দেখা পেয়েছিলেন।




 মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলংকা) :

সম্প্রতি এশিয়া কাপ  জয়ী শ্রীলংকার পক্ষে হয়ে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন মাহেলা জয়াবর্ধনে।  জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৬৪ বল মোকাবেলা করে ১০০ রান করেন সেই সময় তার ব্যাটিংয়ের ছিল ১৫৬ দশমিক এবং তিনি  ৬ মেরেছিলেন চারটি   আর ৪ মেরেছিলেন দশটি.  খেলাটি অনুষ্ঠিত হয় প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে ২০১০ সালে. 




সুরেশ রায়না (ইন্ডিয়া) :

ক্রিকেট খেলার সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ইন্ডিয়াতে .  আর এই ইন্ডিয়াতে প্রতিবছর অনেক ভালো ভালো ক্রিকেটার তৈরি হয়। ইন্ডিয়ান নাম প্রথমে মুখে নিলে চোখে ভেসে আসে বিরাট কোহলি ,শচীন টেন্ডুলকার কিংবা  ধোনির মত প্লেয়ার। কিন্তু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইন্ডিয়ার প্রথম সেঞ্চুরি করেন সুরেশ রায়না।  ১০১ টি রান করেন    ৬০ বল খেলে।  তিনি নয়টি  চার এবং পাঁচটি ছক্কা মেরে ১৬৮.১০ ব্যাটিং ১০১ রান করেন। আর তিনি সেঞ্চুরিটি করেন সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০১০ সালে.




অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড):


চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে মাত্র ৬৪টি বলে ১১৬ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেছেন অ্যালেক্স হেলস । যেটি ইংল্যান্ডকে শ্রীলংকার বিপক্ষে একটি সহজ জয় এনে দিয়েছে. যদিও এই ম্যাচে তিনি ছক্কা মেরেছেন ৬ টি আর চার মেরেছেন ১১ টি .তার ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ছিল ১৮১.২৫.   ইনিংস শেষ করেছেন  একদম ম্যাচ জিতে।




তামিম ইকবাল (বাংলাদেশ):

 বাংলাদেশের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ওপেনার ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। ২০১৬ সালে ওমানের বিপক্ষে দুর্দান্ত সেঞ্চুরিটি বাংলাদেশের ফ্যানরা কখনো  ভুলতে পারবেনা. তিনি ১০৩ রান করার জন্য মাত্র খরচ করেছেন ৬৩ টি বল এবং তিনি ব্যাটিং করেছিলেন   ১৬৩ দশমিক ৪৯ স্ট্রাইক রেটে. ট্রেনে ১০৩ রান করার জন্য ছয় মেরেছে পাঁচটি এবং চার মেরেছে  দশটি. ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইন্ডিয়ায় ধর্মশালা  স্টেডিয়ামে.










No comments

Theme images by follow777. Powered by Blogger.